This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, June 20, 2013

‘বাংলালায়ন তো বেহায়ালায়ন’


ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ফলে ব্লগ, ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বাংলালায়নের সেবার মান বাড়েনি। বেড়েছে নানা রকম সমস্যা। প্রায়ই ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো টাকাটাই জলে যাচ্ছে। ফলে গ্রাহকদের ক্ষোভ বাড়ছে।
ক্ষুব্ধ হয়ে ফয়সাল নামক একজন গ্রাহক ফেসবুকে লিখেছেন, “বাংলালায়ন তো বেহায়ালায়ন!” 

সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসছে,  বেশ কিছু দিন ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মাঝে মধ্যেই বাংলালায়নের নেটওয়ার্ক কানেকটেড হতে সমস্যা হয়। দীর্ঘ সময় কানেকটিং দেখিয়ে ফেইল্ড দেখায়। ভোগান্তির এখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয় দফায় ভোগান্তি শুরু হয় কাস্টমার কেয়ার লাইনে সেবার জন্য ফোন দেওয়া হলে। যেখানেও সেবার পরিবর্তে রয়েছে চরম ভোগান্তি। সেখানে ফোন করলে একজন সেবা দানকারীর সঙ্গে কথা বলার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৪ থেকে ৫ মিনিট। এতে অতি প্রয়োজনীয় কাজগুলোও সময়মতো করতে বেগ পেতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
ব্লগার রাসেল তার ব্লগে লিখেছেন, “অলস দুপুরের খাওয়া-দাওয়ার পরে কিছু সময় নেট ব্রাউজিং প্রত্যেক দিনের রুটিন কর্ম। নেটে ঢোকার আগেই মোবাইলে বাংলালায়নের মেসেজে আমি আতঙ্কিত বোধ করলাম। এরা কখনো ভালো মেসেজ দিয়েছে মনে করতে পারি না। মাসের মিনিমাম ৫-৭ দিন ‘সার্ভার’ নামক বস্তুটার কারণে ৩০-৪০ ঘণ্টা ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখে। আমি ইন্টারনেটের পেছনে প্রতি মাসে বিল দেই ১৪৩৭ টাকা। ৩০ দিনে এক মাস, প্রতি ঘন্টায় বিল হয় ২ টাকা, ৪০ ঘন্টায় বিল আসে ৮০ টাকা। এই ৮০ টাকা ইন্টারনেট না থাকার পরও কেন আমাকে প্রতি মাসে দিতে হচ্ছে?” রাসেল আরও অভিযোগ করেন, ৫১২ কেবিপিএসের ইন্টারনেট স্পিড মাঝে মাঝে ১২৮ কেবিপিএসে নেমে আসে।
 
কাস্টমার কেয়ার
গ্রাহকদের অভিযোগ, “বাংলালায়নের বিক্রেতাদের ফোন দিলে তারা বলেন, তার সেলসের লোক, আমাদের সমস্যা সমাধান করতে পারবেন না। কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিতে বলেন বিক্রেতারা। কানেকশন বিক্রি করার পর তাদের যেন কোনো দায়িত্ব নেই। কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিয়ে ৭-৮ মিনিট বসে থাকতে হয়। কাস্টমার কেয়ার ফোন ধরলে বলে, মডেম রি-স্টার্ট করতে। আর বলে যে তাদের নেটওয়ার্কে কোনো সমস্যা নেই। আবার ২-৩ ঘন্টা পর ফোন দিলে বলে, স্যার নেটওয়ার্কে সমস্যা ছিলো এজন্য তারা দুঃখিত।”

এক গ্রাহকের অভিযোগ, বাংলালায়নের কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভগুলো খুবই জঘণ্য। কিভাবে কথা বলতে হয়, তাও তারা জানেন না।

ব্লগার রাসেল ক্ষোভ ও ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, “বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং সুমধুর কাস্টমার কেয়ার রয়েছে বাংলালায়নের। আপনি যে কোনো সমস্যায় ফোন করলে ১ মিনিটের মাঝেই ফোনকল কেটে দিতে বাধ্য হবেন তাদের সুমধুর কথাবার্তার ‘টোন’ শুনে। তবে আপনার সমস্যার কোন সমাধান হবে না। টিএক্স সার্ভার কাহিনী শুরু হওয়ার পর এদের সব ধরনের মোবাইল নম্বর ‘দুঃখিত এই মহুর্তে আপনার কাঙ্খিত নাম্বারটাতে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না’ পর্যায়ে চলে গেছে।”
 
তিনি লিখেছেন, “এক কথায় বলবো, আমি টিএক্স সার্ভার কি বুঝি না, ৪ জি কি জানি না, আমি জানি, বাংলালায়ন জঘণ্য ইন্টারনেটের উজ্জ্বল একটা উদাহরণ। এই যে এতো এতো সমস্যা- দেশে বিটিসিএল নামক একটা বস্তু আছে এরা কখনো তা দেখতে পায় না, শুনতেও পায় না আর কিছু করবে গ্রাহকদের স্বার্থে এটা তো অলীক কল্পনা!!” 
 
রাইটার ২০১২ নামের একজন ব্লগার লিখেছেন, “হায়রে চতুর্থ প্রজন্মের বাংলালায়ন ‘ওয়াইম্যাক্স’!!! স্পিডের জ্বালায় অস্থির অবস্থা……………!! সকালবেলা বাদে বাকি সময়টা স্পিড বলতে গেলে থাকেই না, দুপুরের পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত আমার ৫১২ আনলিমিটেড প্যাকেজ ১২৮ কেবিপিএসের প্যাকেজ হয়ে যায়। পেজ ওপেন হয় না, সামান্য গুগল লোড নিতেই অস্থির অবস্থা। বাকিগুলোর কথা নাই-বা বললাম। ওদেরকে টিকিট পাঠালাম গতকাল, আজ পর্যন্ত কোনো ‘মহামানব কাস্টমার ম্যানেজার’ উত্তর দেওয়ার সময় পেলেন না।”
 
“টাকা দিয়ে এভাবে ইন্টারনেট চালাতে ইচ্ছা করে!! ২/৩ মাস আগেও খুব কম সময়েই স্পিডের সমস্যা হতো। আর এখন তো দেখছি এটা নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি আরও লিখেছেন, “এভাবে কি কখনো অনলাইনে কাজ করা যায়? আমি জানি না, কখন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো বা কিভাবে মুক্তি পাবো।” 

বিভিন্ন আকর্ষণীয় আর লোভনীয় অফারে সেবা দিয়ে যাচ্ছে দেশের বেশ কয়েকটি ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে একটি বাংলালায়ন। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বহু বাংলালায়নের ব্যবহারকারী হয়েছেন। কিন্তু তাদের সেবার মান বাড়েনি। বেড়েছে ভোগান্তি।
 
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাফিন বলেন, “ভার্সিটির ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে আমি ল্যাপটপ চালাই। কখনও অ্যাসাইনমেন্ট আবার কখনও ফেসবুক ব্যবহার করি। কিন্তু কিছু দিন ধরে মাঝে মাঝেই বাংলালায়নের টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অতি প্রয়োজনীয় কাজগুলোও সময়মতো করতে পারি না। তবে তারা অবশ্য মাঝে মাঝে মোবাইলে এসএমএস করেন যে, তাদের টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে তারা দুঃখিত। আবার কাজ শেষে এসএমএস করেন, টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, এখন ব্যবহার করতে পারেন। এতো ঘন ঘন এই টেকনিক্যাল সমস্যা আর কতোদিন টাকা দিয়ে ইন্টারনেট কিনে আমরা ফেস করবো?”
 
ঢাকা কিংবা ঢাকার বাইরে এমন অনেক বাংলালায়ন ব্যবহারকারী রয়েছেন যারা বাংলালায়নের হুটহাট টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন এবং প্রতিনিয়ত পড়ে চলেছেন। চরম ভোগান্তিতে পড়া এসব বাংলালায়ন মডেম ব্যবহারকারীদের একটাই প্রশ্ন, “টাকা ঠিকই যাচ্ছে, ইন্টারনেটের গতি কবে ঠিকঠাক মতো পাবো?”

ফেসবুকে একজন অভিযোগ করেন, বাংলালায়ন বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট কানেকশন দেয়। ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তারা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি (নেটওয়ার্ক সেটআপ) ছাড়াই ইন্টারনেট কানেকশন দেওয়া শুরু করে। কিউবি এবং বাংলালায়ন তাদের সরাসরি নিজেদের শো-রুমে বিক্রি করে। আর বাকি কানেকশনগুলো তাদের বিক্রেতা অথবা ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রয় করে। বাংলালায়নের বিক্রেতারা অফিস এবং বাসায় ঘুরে ঘুরে কানেকশন বিক্রি করেন। কেনার আগে কানেকশন টেস্ট করার সময় বেশ ভালো স্পিড পাওয়া যায় এমনটা দেখান। বিভিন্ন সুবিধা দেখান। কিন্তু ব্যবহার করার সময় ভিন্ন চেহারা। দিনে খুবই স্লো স্পিড। দিনে গড়ে ২-৩ ঘণ্টা কানেকশন থাকে না। বড় ফাইল ডাউনলোড করা যায় না। বাংলালায়নে একটানা ২ ঘণ্টা ডাউনলোড করলে লাইন ব্লক করে দেয় অথবা স্পিড অর্ধেক করে দেয়।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক
চরমভাবে বাংলালায়নের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকরা। বাংলালায়নের সে হালুম পেজে তিনি বাংলালায়ন কোম্পানিকে ‘রক্তচোষা জোঁক’ মন্তব্য করে লিখেছেন, “আসলে ভালো ব্যবহার পাবার লোক না। টেকনিক্যাল প্রব্লেম কি ঘণ্টায় ঘণ্টায় হয় নাকি? কাস্টমার কেয়ারে ফোন করতে করতে পকেট থেকে আধা মাসের বিল দেওয়া লাগে।
 
কাওসার কাওমিল ইসলাম মুবিন বলেছেন, “সবাই একসঙ্গে ফেলে রাখেন মডেম। যে বিল দিতেন সেটা দিয়ে অন্য মডেম নেন।” 
 
জাবেদ হোসেন ফেসবুক পেজটিতে বলেছেন, “আমি যদি বাংলায়নকে গালি দেই আমার কি খুব পাপ হবে?” 
 
জোবায়ের মাহমুদ বলেছেন, “এই জন্মে নিশ্চয়ই বড় কোনো পাপ করেছিলাম, না হলে কি বাংলালায়নের পাল্লায় পড়ি!” 

ফারহান বলেছেন, “আপনারা ইন্টারনেট সেবা দিতে আসেন নাই। আসছেন আমার মতো গরিবদের পকেট মানি খাইতে। বেশি কিছু বললাম না। কারণ, আগামী মাস থেকে আপনাদের মডেম আমাদের ময়লাওয়ালাকে দিয়ে দেবো।” 
 
আবহি আদিত্য বলেছেন, “কাস্টমাররা যেভাবে ক্ষেপে আছেন, তাতে আগামীতে আপনাদের বোরকা পরে অফিস ছেড়ে পালাতে হতে পারে।” 

সোহেল রানা বলেছেন, “টেকনিক্যাল টিমকে সুতা-কাপড় দিন, তারা বসে বসে নকশি কাঁথার ডিজাইন করুক।”
তানবীর বলেছেন, “নেট বিক্রি বন্ধ করে রুটি কলা বিক্রি করুন।”

২০০৯ থেকে বাংলালায়ন ব্যবহার করছেন অ্যাডভান্স হিয়ারিং সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(সিইও )  মোঃ ওমর ফারুক। তিনি বাংলালায়নের ব্যপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাংলালায়নের সার্ভিস একেবারে নিম্নমানের। কোম্পানীটি এখন বির্তকিত।
সূত্রঃ বাংলানিউজ২৪.কম

ওয়াই ফাই সেবা দিতে রবি ও আইটি কানেক্ট’র চুক্তি


মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ওয়াই ফাই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আইটি কানেক্ট লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে। 


রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) মাইকেল ক্যুনার এবং আইটি কানেক্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াকার হোসাইন বৃহস্পতিবার রবি করপোরেট অফিসে এই চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তির মাধ্যমে বাছাইকৃত এলাকায় রবি গ্রাহকদের ওয়াই ফাই ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানে আইটি কানেক্ট রবি’র পার্টনার হিসেবে কাজ করবে। 



মাইকেল ক্যুনার বলেন, আমরা বাংলাদেশের তরুণদেরকে আরো বেশি কিছু করার জন্য সক্ষম করে তুলতে চাই। তরুণরা সব সময় নতুন ধারণার খোঁজ করে এবং উদ্ভাবন ও পরিবর্তন নিয়ে আসে। আমরা বিশ্বাস করি, রবি সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা সরবরাহের মাধ্যমে তরুণদের জন্য আরো কার্যকরভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে, যার ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। এই উদ্ভাবনী ওয়াই ফাই সেবার  ফলে গ্রাহকরা তাদের স্মার্টফোন ও ট্যাব থেকে দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। 



চুক্তি সই অনুষ্ঠানে রবির পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মাহতাবউদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্যরা। 

Sunday, June 16, 2013

বাংলালিংকে নতুন সিসিও

শিহাব আহমাদকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের  নতুন চীফ কর্মাশিয়াল অফিসার (সিসিও) নিয়োগ দেয়া হয়েছে।


২৬ জুন তিনি তার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শিহাব আহমাদ বাংলালিংক এর মার্কেটিং সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। গত আট বছর তিনি বাংলালিংক এর একজন দক্ষ উচ্চপদস্থ ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বাংলালিংকের গ্রাহক সংখ্যা এখন দুই কোটি ৬০ লাখ।
তিনি লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সাইন্স থেকে এমবিএ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিসিএস ডিগ্রি লাভ করেন।

মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে স্থানান্তরের সুযোগ দিতে নির্দেশনা

নম্বর না বদলেই অন্য অপারেটরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
ফলে মাত্র ৫০ টাকার বিনিময়ে এই সুবিধা পেতে যা
চ্ছেন গ্রাহকরা।
বৃহস্পতিবার বিটিআরসি মোবাইল ফোন অপারেটরদের মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সুবিধা বাস্তবায়ন করতে ওই নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, এমএনপি সুবিধা দিতে অপারেটরা গ্রাহকদের কাছ থেকে ৫০ টাকার বেশি নিতে পারবে না। আগামী সাত মাসের মধ্যেই গ্রাহকদের এই সুবিধা দিতে হবে।
আর এ নির্দেশনা জারির তিন মাসের মধ্যে অপারেটরদের এমএনপি সেবা শুরু করার জন্য একটি কনসোরিটয়াম গঠন করতেও বলা হয়েছে। বিটিআরসির একজন কমিশনার এই কনসোর্টিয়ামের বোর্ড মেম্বার থাকবেন।
বিটিআরসি বলছে, এমএনপির জন্য আবেদনের তিন দিনের মধ্যে অপারেটরদেরে এ সেবা দিতে হবে এবং কেউ যদি একবার নম্বর বদল করে আবারো অন্য নম্বরে ফেরত যেতে চায় তাহলে ৪৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে। 
প্রি-পেইড ও পোস্ট পেইড উভর ধরনের  গ্রাহকই এমএনপি সুবিধা পাবে।
দীর্ঘ দিন ব্যবহারের ফলে মোবাইল নম্বর একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় রূপে পরিণত হয়। আবার বিভিন্ন অফার আর ভাল নেটওয়ার্ক এবং সুলভ মূল্যে টেলিযোগাযোগ সেবা পেতে প্রায়ই গ্রাহকদের এক অপারেটরকে বাদ দিয়ে অন্য অপারেটররের সংযোগ নিতে হয়।
এ অবস্থায় গ্রাহকের ক্ষমতায়নের জন্য পোস্টিং সার্ভিস প্রচলন এবং পরিচালনা পদ্ধতি বিষয়ে নির্দেশনাবলী প্রণয়ণ করতে বিটিআরসি প্রায় এক বছর ধরে কাজ করে আসছিল। 
বর্তমানে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ ছাড়াও প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি পরিসেবা চালু রয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির হিসাবে গত এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে ছয়টি অপারেটরের মোট গ্রাহকের সংখ্যা ১০ কোটি ১২ লাখের বেশি।

Wednesday, June 12, 2013

বাজেট তথ্য প্রযুক্তি সহায়ক নয়: বেসিস

আগামী বাজেটে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে সুফল আসে এমন কোনো প্রস্তাবের প্রতিফলন ঘটেনি বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

বুধবার সকালে বেসিস সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসিস সভাপতি এ কে এম ফাহিম মাশরুর এ কথা বলেন ।
তিনি বলেন, “বাজেট ঘোষণার আগেই অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পৃথকভাবে তথ্য প্রযুক্তি খাতের পক্ষ থেকে দুটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।”


“কিন্তু আমরা আশাহত কারণ অর্থমন্ত্রী যে বাজেট পেশ করেছেন তাতে বেসিসের প্রস্তাবের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি।” 

তাদের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান ফাহিম মাশরুর।


আগামী অর্থবছরের বাজেটে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০১২-১৩ অর্থবছরে ছিল মাত্র ১৩৭ কোটি টাকা।
বর্তমানে ইন্টারনেট সেবার ওপর ১৫ শতাংশ এবং তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর সেবার ওপর  চার দশমিক পাঁচ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত রয়েছে।
বেসিসের প্রস্তাবে রয়েছে, তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সেবার জন্য ধার্য করা বর্তমানের মূল্য সংযোজন কর সাড়ে চার শতাংশ থেকে শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা।
এ ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর থেকে ১৫ শতাংশ মূসক ও ই-কমার্স লেনদেনের ওপর থেকে অন্তত আগামী ৩-৫ বছরের জন্য ভ্যাট প্রত্যাহারেরও প্রস্তাব দিয়েছে বেসিস।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম আহসান, সহ-সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, মহাসচিব রাসেল টি আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব এম রাশিদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ উত্তম কুমার পাল, পরিচালক রিয়াজউদ্দিন মোশাররফ, শাহ ইমরাউল কায়ীশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Friday, February 19, 2010

মাত্র ১৫ ডলারে মোবাইল

বিশ্বের সবচেয়ে কম দামি মোবাইল ফোন তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের হ্যান্ডসেট নির্মাতা ভোডাফোন। বার্সেলোনার মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে এই মোবাইল ফোনসেট উদ্বোধন করেছে তারা। 'ভোডাফোন ১৫০' মডেলের এই মোবাইল ফোনসেটের দাম মাত্র ১৫ ডলার। ভারত, তুরস্ক, কেনিয়া, ঘানা, লেসোথোসহ আফ্রিকার আটটি দেশের বাজারে শিগগিরই ছাড়া হবে এ হ্যান্ডসেট।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যই এ ফোনসেট তৈরি করা হয়েছে, জানিয়েছে ভোডাফোন কর্তৃপক্ষ। সেটটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি বিল্ট ইন মোবাইল পেমেন্ট ব্যবস্থা সমর্থন করে।


বিভিন্ন দেশে ভোডাফোনের এক কোটিরও বেশি গ্রাহক মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা ভোগ করছে। এই সেবাকে উন্নয়নশীল দেশের মানুষের কাছে পেঁৗছে দিতে 'ভোডাফোন ১৫০' সেটটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।
'ভোডাফোন ১৫০' মডেলের পাশাপাশি কম দামের আরেকটি সেট বাজারে ছেড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 'ভোডাফোন ২৫০' মডেলের সেটটির দাম পড়বে ২০ মার্কিন ডলার। এতে রয়েছে রঙিন পর্দা এবং এফএম রেডিও সুবিধা।

Tuesday, February 16, 2010

ইন্টারনেট সংযোগ দেবে গুগল!

স্মার্টফোনের পর এবার উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে গুগল। বুধবার গুগলের ব্লগে প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র এ তথ্য জানান। পরিকল্পনা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পাঁচ লাখ বাড়িতে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সংযোগের মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা পেঁৗছে দেবে গুগল। এ ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এক গিগাবাইট/সেকেন্ড গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এ গতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত ইন্টারনেটের গতির তুলনায় ১০০ গুণ বেশি। তবে কবে নাগাদ এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে, জানায়নি গুগল। পরিকল্পনা কার্যকর করার আগে পরীক্ষামূলক কিছু প্রকল্প চালাবে প্রতিষ্ঠানটি। গুগল জানিয়েছে, এ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা মাত্র পাঁচ মিনিটে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ডাউনলোড করতে পারবে। সেই সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্লিনিকগুলো খুব সহজেই ত্রিমাত্রিক মেডিক্যাল ইমেজ ওয়েবে পাঠাতে পারবে। নিজস্ব কাজেই গুগল এত দিন নিজস্ব ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আসছিল। গুগলের ইন্টারনেট সেবার মধ্য দিয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতিতে পিছিয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী প্রজন্মের ইন্টারনেট যুগে প্রবেশ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেকের এক মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ৭২০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন।

কলকাতায় বৈদ্যুতিক তারে ইন্টারনেট সেবা

কলকাতায় টেলিফোন তারের বদলে বিদ্যুতের তার দিয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া শুরু হয়েছে। ইন্টারনেট সেবার এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওভার পাওয়ার লাইন বা বিপিএল। ভারত কানেক্ট লিমিটেড, শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি এবং ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই করপোরেশন বা সিইএসসি_এই তিনটি প্রতিষ্ঠান একত্রে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন দুটি আবাসন প্রকল্পে পরীক্ষামূলকভাবে বিপিএল সংযোগ দিচ্ছে।

বিপিএল বিশেষজ্ঞ শুভাশিস মুখোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, দেশজুড়ে টেলিফোনের চেয়ে বিদ্যুতের তারের বিস্তৃতি অনেক বেশি। এ পদ্ধতিতে অনেক বেশি মানুষের কাছে ইন্টারনেট পেঁৗছে দেওয়া সম্ভব; বিশেষ করে গ্রামগঞ্জে ওয়াইম্যাক্সের মতো ব্যয়বহুল প্রযুক্তির আগেই সাধারণ বিদ্যুতের তার দিয়ে ইন্টারনেট পেঁৗছে দেওয়া যাবে।
বিপিএল গ্রাহক শম্ভুনাথ পান্ডা জানালেন, তিন মাস ধরে তিনি বিপিএল ব্যবহার করছেন। এ সেবার কোনো ত্রুটি এখনো তাঁর কাছে ধরা পড়েনি। 
২০০৭ সালে ভারত সরকার বৈদ্যুতিক তার দিয়ে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। কলকাতায় এর সম্ভাবনা ও কারিগরি দিক নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিযোগাযোগ প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক পবিত্র কুমার রায় জানান, পরীক্ষামূলক বিপিএল নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সম্প্রতি তাঁরা রিপোর্ট দাখিল করেছেন। শহরের দুটি আবাসন প্রকল্পে বিদ্যুতের লাইন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হচ্ছে। একটি ওভারহেড লাইন, অন্যটি আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ার লাইন। পদ্ধতিটি খুব জনপ্রিয় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিদ্যুতের লাইন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চাইলে গ্রাহককে কাস্টমার প্রিমিসেস ইকুইপমেন্ট বা সিপিই প্রয়োজন পড়বে। কম খরচেই গ্রাহকরা এটা কিনতে পারবেন বলে জানান পবিত্র কুমার রায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জাপানে ইতিমধ্যে বিদ্যুতের তার দিয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

পিডিএফ ফাইলে জলছাপ তৈরি করুন

অনেক সময় পিডিএফ ফাইলে স্বত্ত্বাধিকার নির্দিষ্ট করার জন্য বা অন্য কোনো প্রয়োজনে জলছাপ দিতে হয়। ‘পিডিএফ ওয়াটারমার্ক ক্রিয়েটর’ নামে একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি পিডিএফ ফাইলে জলছাপ দিতে পারেন। সফটওয়্যারটি www.coolpdf.com/pdfwatermark.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিন। এখন সফটওয়্যারটি চালু করে Open অপশনে গিয়ে পিডিএফ ফাইল খুলুন। এবার Text to stamp as watermark অপশনে গিয়ে জলছাপ হিসেবে যা লিখতে চান লিখুন। ইচ্ছে করলে জলছাপের রং, ধরন, বর্ণ ইত্যাদি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন। সবশেষে Stamp Watermark & Save PDF-এ গিয়ে পিডিএফ ফাইলটি সেইভ করুন। এখন পিডিএফ ফাইলটি খুললেই জলছাপ দেখা যাবে। 

জিমেইলেই Check করুন ফেসবুক

ইন্টারনেটভিত্তি জনপ্রিয় ই-মেইল সেবা জিমেইলেই নিজের ফেসবুক ও টুইটারের অ্যাকাউন্ট দেখে নেওয়া যায়। এ জন্য প্রথমে আপনাকে জিমেইলে ঢুকতে হবে। এরপর সেটিংস থেকে ল্যাবে যেতে হবে। Add any gadget by URL সক্রিয় (অ্যানাবল) করে সেভ করুন। আবার সেটিংস থেকে গেজেটে যেতে হবে। 

এরপর http://hosting.gmodules.com/ ig/gadgets/file/ 104971404861070329537/facebook.xml ঠিকানা লিখে দিতে হবে এবং অফ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এখন জিমেইলের বাঁ দিকে ফেসবুক দেখা যাবে। এখানে ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে। এটি একটি মোবাইল সংস্করণ হিসেবে দেখা যাবে। বড় করে দেখার জন্য Expand-এ ক্লিক করতে হবে।

Recent Posts

`
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More